বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সুধাংশুরঞ্জন সাহা


সুধাংশুরঞ্জন সাহা

সম্পর্ক  

নীরবতা মানেই হেরে যাওয়া নয়,
মৃত্যুও নয়, এসব আমাদের জানা।


কখন তোমার চোখে ওয়াশিংটনের মেজাজ!
তর্জনীতে ভিয়েতনামের যুদ্ধ!
অথবা ঠোঁটে বাংলার নবজাগরণ!
সব আমার মুখস্ত।
আদতে সবই বর্ণপরিচয় পড়ার কুফল কিনা!


তবুও, আমি এক পাখি-পোষা মানুষ,
রোদে, বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে সব জৌলুস।
ব্যবহৃত শালপাতার দশা আজ আমার।


অথচ ভেবেছিলাম শেষ বিকেলের রোদে
আমাদের ব্যালকনির বহু পুরনো
ইজিচেয়ারে শুয়ে বসে কাটিয়ে দেব
অবশিষ্ট সময়।







অবশিষ্ট বসন্ত

অবশিষ্ট বসন্ত ইশারায় যতই থাক
নদী ও অরণ্যের প্রতিবেদন ....
আচমকা ঝড় শুরু হলে
পরিচয়হীন হয়ে যাই আমি।


অথবা অভিমানী নদীর
নামগোত্রহীন মুখভারে
ফুটে ওঠে ঠিকানাহীন মেঘের
বিরহ বিষয়ক বীজগণিত।


তবুও শরীরবিদ্যা ঘেঁটে নির্বিকল্প ঋতুকাল
একের পর এক অধ্যায় লিখে ফেলে
দেহভাষার ভিন্ন বর্ণমালায়।








মেঘেদের পান্ডুলিপি

যৌনপদাবলী গায়ে জড়িয়ে কত প্রেমকথাই
তো ভালোবাসায় ঠাঁই পেল,
কিংবা ভালোবাসাকে ব্রাত্য করল।
মেঘেদের পান্ডুলিপির আবহে
কত রাত্রি যে ঠোঁট ডোবাল
প্রেমের রঙিন পেয়ালায!
সেই ইতিহাস ঘেঁটে কে আর উসকে দিতে চায়
কান্নার মায়াকানন!
অথবা কে আর পায়ে পায়ে মাপে
দূরত্বের অনুচ্চারিত আবেগ!